নোটিশ :
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম... টিমি থিম, নিউজ পেপার থিম, ই-কমার্স থিম, কর্পোরেট থিম, স্কুল কলেজের থিমস কিনতে ভিজিট করুন www.themeneed.com  Themeneed.Com, Office :41/ Compact Bayazid square, Bayazid Bostami Rd, Nasirabad, Chaittagong, Mobile : 01310095939, 01859124823 Email : support@themeneed.com
সংবাদ শিরোনাম:
চট্টগ্রামে প্রেস ব্যবসায়ীর পার্কিং থেকে রহস্যময় বিএমডিব্লিউ জব্ধ প্রথম বারের মতো চট্টগ্রামে নগরের রাস্তায় বসলো ‌’সড়ক ট্যাক্স’ মায়ানমারে পাচারের সময় ১৬ লাখ টাকার ডিএপি সার জব্ধ চট্টগ্রামে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার এনসিপি নেতা কারাগারে, দল থেকে বহিস্কার লবণ কারখানায় বিস্ফোরণ/ চট্টগ্রামে মাহমুদুল নামে চিকিৎসাধীন আরেক শ্রমিকের মৃত্যু ঠিকাদারের টাকায় রোড রোলারের প্রশিক্ষণ নিতে বিদেশ ভ্রমণ চসিক সচিব, প্রকৌশলীদের চট্টগ্রামে হত্যার পর শিশুর লাশ গুম, আসামি রুবেলের মৃত্যুদন্ড চট্টগ্রামে ডিডিএন কার্যালয় হামলা-ভাংচুর/ হামলার নেতৃত্বে তিন জন, তিন ভাগ ভাগ হয়ে ভাংচুর চট্টগ্রামে খুনের পর লাশ গুম শিশু আয়নীর মামলার রায় সোমবার এনসিটি ও সিসিটি ইজারার প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি/ চট্টগ্রামে প্রতীকী গণঅনশন বন্দর রক্ষা কমিটি
নির্বাচনী সহিংসতা/ চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি-জামায়াত, মুন্সীগঞ্জ ও নাটোরে বিএনপি-স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ

নির্বাচনী সহিংসতা/ চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি-জামায়াত, মুন্সীগঞ্জ ও নাটোরে বিএনপি-স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ

চট্টগ্রাম এক্সপ্রেস ডেক্স
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের দর্শনা থানাধীন বেগমপুর ইউনিয়নের উজলপুর গ্রামে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষে দুই দলেরই নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আহত দুই নেতা হলেন, দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌর ১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মেহেদী হাসান (৩২) এবং দর্শনা পৌর শ্রমিক কল্যাণ সেক্রেটারি হাসান তারেক (২৭)। তারা রাতেই চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন।
অন্যদিকে, বিএনপির পক্ষ থেকে আহত তিনজন সমর্থকের নাম জানানো হয়েছে। তারা হলেন- স্থানীয় বাসিন্দা মুজিবর রহমান, জুনায়েদ হোসেন ও আশিক।
বেগমপুর ইউনিয়নের জামায়াতের ইসলামীর আমির মোশাররফ হোসেন বলেন, রাতে বিএনপির নেতাকর্মীরা মিছিল করছিলেন। আমাদের উজলপুর নির্বাচনী অফিসের সামনে এসে কয়েকজন বিএনপির সমর্থক মদ্যপ এবং অর্ধউলঙ্গ অবস্থায় নাচানাচি ও মাতলামো করছিলেন। এ সময় আমাদের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ করায় তারা চড়াও হয়। এরপরই আমিসহ আমাদের দায়িত্বশীলরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা আমাদের ওপর চড়াও হয় এবং আমাদের দুজনকে বেধড়ক মারধর করে। এছাড়া আমাদের উজলপুর জামায়াতের নির্বাচনী অফিসের চেয়ার ভাঙচুর করেন তারা। পরে আহত দু’জনকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এছাড়া বিএনপির অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেন তিনি।
দর্শনা থানা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আসলাম হোসেন বলেন, রাতে আমার নেতৃত্বে একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল বের হয়। স্বাভাবিকভাবে মিছিলে কয়েকজন সমর্থক স্লোগানের সঙ্গে নাচানাচি করছিলেন। এ সময় উজলপুর জামায়াতের নির্বাচনী অফিসে বসে থাকা কয়েকজন নেতাকর্মী আমাদের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ‘মেথর’ বলে সম্বোধন করেন। এই কথার প্রতিবাদ করি আমরা। এই নিয়েই সামান্য উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এতে আমাদের তিনজন সমর্থক আহত হয় এবং আমাদের উজলপুর নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করে তারা।
অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, জামায়াতের নির্বাচনী অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ মিথ্যা। আমরা তাদের কাউকে মারধরও করিনি।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আল ইমরান জুয়েল বলেন, আনুমানিক রাত ১২টার দিকে মেহেদী হাসান এবং হাসান তারেক নামে দুজন রোগী আহত অবস্থায় জরুরি বিভাগে আসেন। এদের মধ্যে একজনের মাথায় এবং অপরজনের বাম চোখের নিচে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, শক্ত কাঠ জাতীয় কোনো কিছুর দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। রাতেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ফিরে গেছেন।
দর্শনা থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, জামায়াতে ইসলামী এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে জামায়াতের ইসলামীর দু’জন এবং বিএনপির একজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে জামায়াতের উজলপুর নির্বাচনী অফিসে একটি চেয়ার ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি।
মুন্সীগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারণায় হামলা, দু’পক্ষে গোলাগুলিতে গুলিবিদ্ধ ২ জন
মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মুন্সিকান্দি এলাকায় ফুটবল প্রতীকের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় ককটেল নিক্ষেপ ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাধা দিয়েছে প্রতিপক্ষ ধানের শীষ প্রার্থীর সমর্থকরা। এর জের ধরে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।
আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনার ঘটনার সূত্রপাত হয়। যা থেমে থেমে দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত আছে।
স্থানীয়রা জানান, আজ শনিবার সকালে ফুটবল প্রতীকের সমর্থক জেলা বিএনপির সদস্য আতাউর রহমান মল্লিকের লোকজন মুন্সীকান্দি এলাকায় ভোট চাইতে যান। এ সময় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কামরুজ্জামান রতন সমর্থক স্থানীয় বিএনপি নেতা উজির আলী ও আওলাদ মোল্লার লোকজন ককটেল নিয়ে হামলা করে। পরে এ ঘটনার ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একাধিক অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করতে দেখা যায় আওলাদ পক্ষের লোকজনকে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ফুটবল প্রতীকের সমর্থকরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে গেলে কৃষি জমিতে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। বর্তমানে দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। যে কোনো সময় আবারও সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকায় নিরীহ গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
মুন্সীগঞ্জ সদর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তাদের পূর্ব বিরোধ ছিলো। নির্বাচন ঘনিয়ে আসতেই আবার তারা এলাকায় সক্রিয় হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
নাটোরে বিএনপি-স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ১৩
নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তাইফুল ইসলাম টিপুর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় খলিলুর রহমান (৪০) নামের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুর সমর্থককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে লালপুর উপজেলার আড়বাব ইউনিয়নের কচুয়া বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দু’পক্ষই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে প্রতিবাদ মিছিল করেছে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপু। একই সঙ্গে আজ শনিবার বিকেলে কচুয়া বাজারে প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দিয়েছে টিপু।
আহতরা হলেন- ফারুক (৪৮), শরিফুল (৩৪), সম্রাট (২৬), শিহাব (৩০), সাহেদ (২০), জাহাঙ্গীর আলম (৪৫), এনামুল হক (৫০), আকমল (৩৫), ফরহাদ (২৮) ও ফারুক (৩৭), জামরুল ইসলাম বাবু, শাহিন উদ্দিন ও সাজদার রহমান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে লালপুর উপজেলার কচুয়া বাজার এলাকায় গণসংযোগ চালাচ্ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুর সমর্থকেরা। ওই সময় বিএনপির প্রার্থী ফারজানা শারমিন পুতুলের নির্বাচনী অফিসের সামনে উসকানিমূলক স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় ধানের শীষের সমর্থকদের সঙ্গে টিপু সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়।
স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপু অভিযোগ করেন, গণসংযোগ চলাকালে পুতুল গ্রুপের লোকজন অতর্কিত হামলা চালায়। এত আমাদের ১০ জন কর্মীসমর্থক আহত হয়। এর মধ্যে ৭ জন মেডিকেলে ভর্তি আছে। একজনের অবস্থা গুরুতর। ওই সময় আমার কর্মীদের কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয় এবং একজন নিরপরাধ কর্মীকে থানায় আটক করে নিয়ে আসে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। এর প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে কচুয়া বাজারে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমাবেশ ডাকা হয়েছে।
লালপুর থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। ওই সময় স্থানীয়রা একজনকে আটক করে রাখে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় পুলিশ। এ ঘটনায় দুপক্ষয় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে। তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com